ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের নম্বর বন্টন ও বাছাই প্রক্রিয়া

(ক) এসএসসি (সমমান) ও এইচএসসি (সমমান) এর জিপিএ এবং প্রার্থীর লিখিত পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে প্রার্থী মূল্যায়ন করা হবে।

এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-এর ৪ গুণিতক = ২০ নম্বর (সর্বোচ্চ) 
এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-এর ৬ গুণিতক = ৩০ নম্বর (সর্বোচ্চ)
MCQ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষা = ১০০ নম্বর মােট নম্বর = ১৫০ নম্বর।

(খ) লিখিত পরীক্ষা (MCQ পদ্ধতি) = ১০০ নম্বর।

বিএসসি ইন নার্সিং কোর্সের বিষয় ভিত্তিক নম্বর বিভাজনঃ বাংলা-২০, ইংরেজী ২০, গনিত ১০, বিজ্ঞান-৩০ (জীব বিজ্ঞান, পদার্থ ও রসায়ন) এবং সাধারণ জ্ঞান ২০ অর্থাৎ মােট ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে হবে। 

ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স এন্ড মিডওয়াইফারি এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি কোর্সের জন্য বিষয় ভিত্তিক নম্বর বিভাজনঃ বাংলা-২০, ইংরেজী ২০, গনিত ১০, সাধারণ বিজ্ঞান-২৫ এবং সাধারণ জ্ঞান ২৫ অর্থাৎ মােট ১০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করতে হবে। ভর্তি পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৪০ (চল্লিশ)।

(গ) পাশকৃত প্রার্থীদের মধ্যে মেধাতালিকার ভিত্তিতে সরকারি প্রতিষ্ঠানে এবং অবশিষ্ট প্রার্থীরা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযােগ পাবেন। লিখিত পরীক্ষায় ৪০ (চল্লিশ) এর কম নম্বর প্রাপ্ত প্রার্থীগণ অকৃতকার্য বলে গণ্য হবেন। অকৃতকার্য কোন প্রার্থী সরকারি ও বেসরকারি কোন নার্সিং ও মিডওয়াইফারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে পারবেন না। প্রার্থী যে কোর্সে আবেদন করবে কেবলমাত্র সেই কোর্সে ভর্তির সুযােগ পাবে।




Next Post Previous Post