এলার্জি দূর করার সাবান

এলার্জি দূর করার সাবান
এলার্জি দূর করার সাবান: গ্লিসারিনযুক্ত যেকোনো ভাল ব্রান্ডের সাবান ব্যাবহার করবেন যাদের এলার্জি প্রবলেম রয়েছে। নরমাল কোনো সাবান বা লিকুইড ব্যাবহার করা যাবেনা। তবে গোসলের পূর্বে যদি নারিকেল তেল বা সরিষার তেল শরীরে লাগিয়ে নেন, তাহলে নরমাল যেকোন সাবান ব্যাবহার করলেও সমস্যা হবেনা। এক্ষেত্রে গোসলের পরে সাথে সাথে লোশন ব্যাবহার করবেন। কিন্তু দেখা যায় বড়দের অনেকে গোসলের পর লোশন লাগানো পছন্দ করেননা, একারণে ডাক্তারগণ সরাসরি গ্লিসারিনযুক্ত যে সোপ বা সাবানগুলে আছে, বডিওয়াশ আছে বা সিরামাইডযুক্ত যে সাবান, বডি ওয়াশ পাওয়া যায়, সেগুলো ব্যবহার করতে বলে থাকেন।

বাচ্চাদের ক্ষেত্রে: যদি কোনো বাচ্চার শরীরে অতিরিক্ত এলার্জি সমস্যা দেখা দেয় তাহলে অলিভ অয়েল মেখে বা নারকেল তেল মেখে গোসল করাতে পারেন। গোসলের পর ভালমানের লোশন লাগিয়ে দিতে হবে ভেজা ভেঝা অবস্থাতেই, অর্থাৎ ত্বক ড্রাই হবার আগেই লোশন দিয়ে দিবেন পুরো শরীরে।

যাদের স্কিন অনেক বেশি ড্রাই বা শুষ্ক তারা এলার্জিতে অনেক বেশি ভোগেন। যেকারণে সাবানের বিষয়ে অনেকটা গুরত্ব দিতে হবে। অনেক রোগিদের জিজ্ঞেস করতে দেখা যায়, লাইফবয় সাবান ব্যাবহার করতে পারবেন কিনা? উত্তর: লাইফবয় ক্ষারযুক্ত সাবানের মধ্যে পড়ে, যেকারণে আপনি লাইফবয় ব্যাবহারের পূর্বে শরীরে নারিকেল তেল বা অলিভওয়েল ব্যাবহার করে নিতে পারেন। এটি সকল ক্ষারযুক্ত সাবানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

শীতকালে মূলত ত্বক বেশি শুষ্ক হয়ে ওঠে, ইচিংয়ের পরিমাণ বেড়ে যায়, যাদের ড্রাই স্কিন মূলত তারাই বেশি ভোগেন সমস্যায়। ড্রাইনেসের জন্য স্কিন চুলকায় এবং আরো অনেক এলার্জির উপসর্গ প্রকাশ পায়। তাই এই ইচিংয়ের জন্য ত্বক প্রতিদিন ২/৩ বার করে ময়েশ্চারাইজ করতে হবে। গোসলের পরে এক বার, রাতে এক বার, পারলে যদি আরেক বার করতে পারে, সেটাও ভালো। ঠিকভাবে ময়েশ্চারাইজ করলে এলার্জির সমস্যা থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন আশা করা যায়।

বি:দ্র: অনেকে না বুঝে এলার্জি দেখা দিলে বারবার সাবান ব্যাবহার করেন, এটি করা যাবেনা। যদিও আমরা গ্লিসারিনযুক্ত সাবান সাজেস্ট করি, তবে অতিরিক্ত পরিমাণে ব্যাবহারের কারণে অনেক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এলার্জি সমস্যার রোগিদের আমরা ১/২ দিন পর পর সাবান ব্যাবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকি।

Next Post Previous Post